ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুথপেস্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে বিএসটিআই মাদরাসাছাত্র অসুস্থ হওয়ায় ফাঁস হলো ভয়ংকর ঘটনা খামারে খাবার দিয়ে ঘুমাতে যান আমিনুর, সকালে উঠে ‘মাথায় হাত’ চাকরি ছেড়েছেন পাকিস্তানের হাতে ‘ধরা পড়া’ সেই পাইলট ১২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিলেন পুলিশ কমিশনার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজশাহীতে মাছ অবমুক্ত নগরীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার এআইয়ের চাহিদায় ২০২৬ সালে তাইওয়ানের চিপ শিল্পের আয় ৪০ শতাংশ বাড়ার প্রত্যাশা আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণ, সৎ বাবা গ্রেপ্তার রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কেটে দিল ৩০০ কুমড়াগাছ, হতাশায় কৃষকের মাথায় হাত ভাতিজার সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া, ক্ষোভে বৃদ্ধের তুলকালাম সিএনজিতে লাগানো হ্যান্ডকাফসহ পুলিশ হেফাজত থেকে পালালো আসামি হরমুজ প্রণালিতে আরও নৌ মাইন বসাচ্ছে ইরান হোটেলে প্রেমিকাকে কুপিয়ে হত্যা প্রেমিকের মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ট্রাম্প-আমিরাত প্রেসিডেন্টের জরুরি ফোনালাপ জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমার, মহানায়কের মুগ্ধতা আজও অমলিন পোশাকের নীচে লুকিয়ে থাকে, তবুও দাম কয়েকশো কোটি রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় জেডি মদ জব্দ বড়পর্দায় ফেরার প্রস্তুতিতে মন্দিরা

বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? নেপথ্যে বজ্রপাত?

  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৯:৪৬:৪১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৯:৪৬:৪১ অপরাহ্ন
বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? নেপথ্যে বজ্রপাত? বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? নেপথ্যে বজ্রপাত?
সৌরজগতের বাকি গ্রহগুলির তুলনায় শনি যেন একটু দূরেরই। চাইলেও তাকে নিয়ে খুব বেশি গবেষণা করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। বাদ সেধেছে তার বলয়। সেই সঙ্গে তার উপরে ভেসে থাকা মেঘ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, শনির ভিতরে যে পরিবেশ, যে রাসায়নিক পরিবর্তন প্রতিনিয়ত হয়ে চলে, তাতে জল বা বরফের পরিবর্তে হিরে তৈরি হয় সেই গ্রহে। সেই পরিমাণও নেহাত কম নয়। বছরে হাজার টন হিরেও তৈরি হতে পারে।

শুনে মনে হতে পারে এ হয়তো কোনও কল্পবিজ্ঞান! কিন্তু বিজ্ঞানীদের দাবি, হিরে তৈরির জন্য যে পরিবেশ, যে উপকরণের প্রয়োজন হয়, তার সবই রয়েছে শনিতে। প্রচুর পরিমাণে কার্বন নিঃসরণ হয় সেখানে। বায়ুর চাপ এবং তাপও যথেষ্ট বেশি ওই গ্রহে। এই আবহে সেখানে প্রতি দিন হিরে তৈরি হওয়ার বিষয়টি অস্বাভাবিক নয়, এমনটাই যুক্তি বিজ্ঞানীদের। তাঁরা প্রাথমিক হিসাব করে জানিয়েছেন, বছরে শনিতে ১০০০ টন হিরে তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। হয়তো প্রতি বছর সেই হিরে তৈরি হয়, তার পরে গ্রহের অতলে ডুবে যায়। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, শনির গভীরে যে পরিমাণ তাপ রয়েছে, তাতে বহু হিরে গলে তরলে পরিণত হয়ে থাকতে পারে।

এই প্রক্রিয়ার কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ বিজ্ঞানীরা এখনও পাননি। কোনও মহাকাশযানেও তার ছবি ধরা পড়েনি। তবে বিজ্ঞানীরা শনির মতো একটি প্রতিকৃতি তৈরি করে তার উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তাতেই তাঁদের একাংশ নিশ্চিত হয়েছেন যে, শনিতে নিত্য দিন তৈরি হয় হিরে।

শনির বায়ুমণ্ডলে রয়েছে হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম। সেই সঙ্গে রয়েছে মিথেনও। উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেভিন বাইনেস এবং নাসা যৌথ ভাবে একটি গবেষণা করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে সেই গবেষণার কথা প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শনিতে মাঝেমধ্যেই প্রবল ঝড় হয়। যখন বাজ পড়ে, তখন মিথেন গ্যাসের অণু ভেঙে যায়। তার ফলে যে কার্বন উৎপন্ন হয়, তা ভুসাকালিতে পরিণত হয়। সেই ভুসাকালি বায়ুমণ্ডলের মধ্যে দিয়ে ঝরে ঝরে পড়ে।

যত নীচে নামে সেই কার্বনকণা, তত সেখানে চাপ এবং তাপমাত্রা দুই-ই বৃদ্ধি পায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সেই কার্বন তখন গ্রাফাইটে পরিণত হয়, যা পেনসিলের শিসে পাওয়া যায়। গ্রহের আরও গভীরে চাপ আরও বেশি। সেখানে গিয়েই সম্ভবত হিরেতে পরিণত হয় ওই কার্বনকণা, মনে করেন বিজ্ঞানীরা। তবে তাঁরা মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, পৃথিবীর চেয়ে শনি অনেক বড়। তার বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তিও বিশাল। সেখানে এক এক জায়গায় বায়ুর চাপ এক এক রকম। সে কারণে কার্বনের বিভিন্ন রূপের মধ্যে দিয়ে যায়। সে ভাবেই এক সময় সে হিরেতেও পরিণত হয়।

বিজ্ঞানী বাইনে বিবিসি-কে বলেন, ‘‘আমরা বুঝেছি, শনিতে প্রতি বছর প্রায় ১০০০ টন হিরে তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। লোকে বলে, কী ভাবে এ সব বলছেন? ওখানে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তবে রাসায়নিক পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা একপ্রকার নিশ্চিত।’’

তবে বাইনে এ-ও মনে করেন, সেই হিরের রূপেরও বদল ঘটে শনিতে। কারণ, সেখানকার তাপ এবং চাপ। গবেষকদের মতে, প্রায় ৩০ হাজার কিলোমিটার ঝরে পড়ার পরে হিরের টুকরো যেখানে পৌঁছোয়, সেখানে তাপ এবং চাপ এতটাই বেশি যে, তা তরলে পরিণত হয়। কেউ কেউ মনে করেন, শনিতে হয়তো তরল হিরের একটি সাগরও থাকতে পারে। তবে এই বিষয়ে নিশ্চিত নন বাইনে। অতিরিক্ত তাপ এবং চাপে হিরের কী অবস্থা হয়, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে জানান তিনি। এই নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে অন্য বিজ্ঞানীদেরও। আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির মতে, শনিতে হিরের বৃষ্টি হওয়ার মতো অত কার্বনই নেই। কার্বন থাকলেও তা স্ফটিকে পরিণত না হয়ে ছড়িয়েও পড়তে পারে। এই সব নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিলেন পুলিশ কমিশনার

১২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিলেন পুলিশ কমিশনার